ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেমসের কনসার্ট ঘিরে ইতালিতে প্রতারণার অভিযোগ

বিনোদন প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 5

জেমসের কনসার্ট ঘিরে ইতালিতে প্রতারণার অভিযোগ

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী নগর বাউল জেমসের ইতালি সফর ও কনসার্ট আয়োজনকে ঘিরে আয়োজক ও শিল্পীর ম্যানেজমেন্টের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, কনসার্টের অর্থের হিসাব না দেওয়া এবং টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হোসাইন আহমেদ মোয়াজ।

মোয়াজের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে তিনি ইতালিয়ান পুলিশেরও দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য শুনতে পুলিশ রোমের একটি হোটেলে এসেছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তবে অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি এবং জেমস বা তাঁর ম্যানেজারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আয়োজক হোসাইন আহমেদ মোয়াজ জানান, জেমসের ইতালি সফরে কনসার্ট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ম্যানেজার রবিন। পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কথা জানালে রবিন তাঁকে আয়োজন শুরু করার আশ্বাস দেন এবং পরবর্তী আর্থিক বিষয় তিনি দেখবেন বলে জানান।

এরপর রোম ও ভেনিসে দুটি কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেন মোয়াজ। তাঁর দাবি, ইতালির নিয়ম অনুযায়ী ভেন্যুগুলোতে অগ্রিম অর্থ দিয়ে চুক্তি করে তারিখ নির্ধারণ করা হয়। জেমসের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গেও ৫ হাজার ইউরো অগ্রিম দেওয়ার বিষয়ে চুক্তি হয়। রোমে ১৬ আগস্ট এবং ভেনিসে ২২ আগস্ট কনসার্টের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে দুই শহরেই কনসার্টের প্রচারণা শুরু এবং টিকিট বিক্রি করা হয়। তবে রোমের অনুষ্ঠান সামনে রেখে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে বলে অভিযোগ করেন মোয়াজ।

ভেনিসের কনসার্ট নিয়ে বিরোধ

মোয়াজের দাবি, রোমের কনসার্টের কয়েক দিন আগে রবিন তাঁকে ভেনিসের অনুষ্ঠান থেকে সরে যেতে বলেন। অন্য একটি পক্ষের সঙ্গে বেশি অর্থের বিনিময়ে যোগাযোগ করে ভেনিসের কনসার্ট তাদের দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে রোমের অনুষ্ঠানও বাতিল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি মোয়াজের। তাঁর ভাষ্য, দুই ভেন্যুর জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে চাপে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত ভেনিসের অনুষ্ঠান অন্য পক্ষকে ছেড়ে দিতে হয়। তবে আগে বিক্রি হওয়া টিকিটের অর্থ আয়োজক কমিটিকে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।

টিকিটের অর্থ নিয়ে অভিযোগ

রোমের ১৬ আগস্টের কনসার্টকে ঘিরে অভিযোগের মাত্রা আরও বাড়ে। মোয়াজের দাবি, অনুষ্ঠানের দিন জেমসের ম্যানেজার রবিন নিজে টিকিট কাউন্টারে বসে টিকিট বিক্রির অর্থ নিয়ে নেন।

এ নিয়ে আপত্তি জানালে জেমসকে মঞ্চে উঠতে দেওয়া হবে না বলে তাঁকে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন মোয়াজ। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তখন আর বিষয়টি নিয়ে বেশি কথা বলেননি বলে জানান।

কনসার্ট শেষ হওয়ার পর ১৮ আগস্ট ম্যানেজমেন্টের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলেও তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

পুলিশের কাছে অভিযোগ

পরে বিষয়টি নিয়ে ইতালিয়ান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মোয়াজ। তাঁর দাবি, পুলিশ হোটেলে এসে তাঁর বক্তব্য শোনে এবং লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দেয়।

মোয়াজের আরও দাবি, পরদিন সকালে হোটেলে গিয়ে তিনি দেখতে পান জেমস, তাঁর ম্যানেজারসহ পুরো টিম কাউকে না জানিয়ে হোটেল ছেড়ে চলে গেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কনসার্টের অর্থের একটি অংশ অবৈধ পথে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে এবং এর পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জেমসের সঙ্গে কথা বলার দাবি

মোয়াজের দাবি, তিনি সরাসরি জেমসের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেন। তখন জেমস তাঁকে এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে ম্যানেজার রবিনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

তবে এ বক্তব্যের স্বাধীন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত আয়োজকের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ম্যানেজারের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে জেমসের মুখপাত্র ও ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন বলেন, কোনো শো প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে বা আয়োজকরা কাঙ্ক্ষিত লাভ করতে না পারলে শিল্পী ও তাঁর দলের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা নতুন নয়। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক।

রবিনের বক্তব্য থেকে কনসার্ট-পরবর্তী বিরোধের পেছনে আর্থিক হিসাব ও আয়োজনসংক্রান্ত মতপার্থক্য থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এদিকে জেমসের ইতালি সফর এখনো শেষ হয়নি। রোমের পর ভেনিসে তাঁর আরেকটি কনসার্ট হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর সুইডেনে সফরের শেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রোমের কনসার্ট ঘিরে আয়োজক ও ম্যানেজমেন্টের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এখন নজর ভেনিসের অনুষ্ঠানের দিকে। নির্ধারিত সময়ে সেখানে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয় কি না এবং বিরোধ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কী ব্যাখ্যা দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তবে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ বা অবৈধ অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো প্রমাণিত নয়। পুলিশি তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জেমসের কনসার্ট ঘিরে ইতালিতে প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী নগর বাউল জেমসের ইতালি সফর ও কনসার্ট আয়োজনকে ঘিরে আয়োজক ও শিল্পীর ম্যানেজমেন্টের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, কনসার্টের অর্থের হিসাব না দেওয়া এবং টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হোসাইন আহমেদ মোয়াজ।

মোয়াজের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে তিনি ইতালিয়ান পুলিশেরও দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য শুনতে পুলিশ রোমের একটি হোটেলে এসেছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তবে অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি এবং জেমস বা তাঁর ম্যানেজারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আয়োজক হোসাইন আহমেদ মোয়াজ জানান, জেমসের ইতালি সফরে কনসার্ট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ম্যানেজার রবিন। পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কথা জানালে রবিন তাঁকে আয়োজন শুরু করার আশ্বাস দেন এবং পরবর্তী আর্থিক বিষয় তিনি দেখবেন বলে জানান।

এরপর রোম ও ভেনিসে দুটি কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেন মোয়াজ। তাঁর দাবি, ইতালির নিয়ম অনুযায়ী ভেন্যুগুলোতে অগ্রিম অর্থ দিয়ে চুক্তি করে তারিখ নির্ধারণ করা হয়। জেমসের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গেও ৫ হাজার ইউরো অগ্রিম দেওয়ার বিষয়ে চুক্তি হয়। রোমে ১৬ আগস্ট এবং ভেনিসে ২২ আগস্ট কনসার্টের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে দুই শহরেই কনসার্টের প্রচারণা শুরু এবং টিকিট বিক্রি করা হয়। তবে রোমের অনুষ্ঠান সামনে রেখে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে বলে অভিযোগ করেন মোয়াজ।

ভেনিসের কনসার্ট নিয়ে বিরোধ

মোয়াজের দাবি, রোমের কনসার্টের কয়েক দিন আগে রবিন তাঁকে ভেনিসের অনুষ্ঠান থেকে সরে যেতে বলেন। অন্য একটি পক্ষের সঙ্গে বেশি অর্থের বিনিময়ে যোগাযোগ করে ভেনিসের কনসার্ট তাদের দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে রোমের অনুষ্ঠানও বাতিল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি মোয়াজের। তাঁর ভাষ্য, দুই ভেন্যুর জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে চাপে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত ভেনিসের অনুষ্ঠান অন্য পক্ষকে ছেড়ে দিতে হয়। তবে আগে বিক্রি হওয়া টিকিটের অর্থ আয়োজক কমিটিকে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।

টিকিটের অর্থ নিয়ে অভিযোগ

রোমের ১৬ আগস্টের কনসার্টকে ঘিরে অভিযোগের মাত্রা আরও বাড়ে। মোয়াজের দাবি, অনুষ্ঠানের দিন জেমসের ম্যানেজার রবিন নিজে টিকিট কাউন্টারে বসে টিকিট বিক্রির অর্থ নিয়ে নেন।

এ নিয়ে আপত্তি জানালে জেমসকে মঞ্চে উঠতে দেওয়া হবে না বলে তাঁকে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন মোয়াজ। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তখন আর বিষয়টি নিয়ে বেশি কথা বলেননি বলে জানান।

কনসার্ট শেষ হওয়ার পর ১৮ আগস্ট ম্যানেজমেন্টের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলেও তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

পুলিশের কাছে অভিযোগ

পরে বিষয়টি নিয়ে ইতালিয়ান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মোয়াজ। তাঁর দাবি, পুলিশ হোটেলে এসে তাঁর বক্তব্য শোনে এবং লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দেয়।

মোয়াজের আরও দাবি, পরদিন সকালে হোটেলে গিয়ে তিনি দেখতে পান জেমস, তাঁর ম্যানেজারসহ পুরো টিম কাউকে না জানিয়ে হোটেল ছেড়ে চলে গেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কনসার্টের অর্থের একটি অংশ অবৈধ পথে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে এবং এর পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জেমসের সঙ্গে কথা বলার দাবি

মোয়াজের দাবি, তিনি সরাসরি জেমসের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেন। তখন জেমস তাঁকে এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে ম্যানেজার রবিনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

তবে এ বক্তব্যের স্বাধীন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত আয়োজকের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ম্যানেজারের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে জেমসের মুখপাত্র ও ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন বলেন, কোনো শো প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে বা আয়োজকরা কাঙ্ক্ষিত লাভ করতে না পারলে শিল্পী ও তাঁর দলের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা নতুন নয়। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক।

রবিনের বক্তব্য থেকে কনসার্ট-পরবর্তী বিরোধের পেছনে আর্থিক হিসাব ও আয়োজনসংক্রান্ত মতপার্থক্য থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এদিকে জেমসের ইতালি সফর এখনো শেষ হয়নি। রোমের পর ভেনিসে তাঁর আরেকটি কনসার্ট হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর সুইডেনে সফরের শেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রোমের কনসার্ট ঘিরে আয়োজক ও ম্যানেজমেন্টের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এখন নজর ভেনিসের অনুষ্ঠানের দিকে। নির্ধারিত সময়ে সেখানে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয় কি না এবং বিরোধ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কী ব্যাখ্যা দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তবে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ বা অবৈধ অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো প্রমাণিত নয়। পুলিশি তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।