Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
সিঙ্গাপুরের ঘাম ঝড়িয়ে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ১২:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
- / 242

ঈদের আগে জয় উপহার দেওয়ার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের ফুটবলারদের। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা লড়াই-প্রচেষ্টায় কমতি রাখেননি, তবে গোল মিস আর রক্ষণভাগের ভুলে শেষ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের কাছে হার মানতে হলো হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার শিষ্যদের।
মঙ্গলবার (১০ জুন) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয় বাংলাদেশ। এই হারে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকায় শূন্যতেই রইলো লাল-সবুজরা।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে একটি গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মাঠে নামানো হয় বদলি খেলোয়াড় শাহরিয়ার ইমনকে। মাঠে নেমে মাত্র তিন মিনিটেই গোলের সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু রাকিব হোসেনের নিখুঁত পাসে বল ঠিকভাবে স্পর্শ না করতে পারায় সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। পরপর দুইবার আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।
এরই মাঝে ৫৮তম মিনিটে সিঙ্গাপুরের সম্মিলিত আক্রমণে দ্বিতীয় গোলটি হজম করে বাংলাদেশ। গোলরক্ষক মিতুল মারমার প্রথম সেভ ব্যর্থ হয়, বল পড়ে যায় ইখসান ফান্দির পায়ে, যিনি ঠান্ডা মাথায় নিচু শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে।
তবে স্বস্তির মুহূর্ত আসে ৬৭ মিনিটে। মাঝমাঠ থেকে দারুণ থ্রু পাস দেন হামজা, বল ধরে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যান রাকিব হোসেন। সিঙ্গাপুর গোলরক্ষকের ভুলের সুযোগ নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি, বাংলাদেশ পায় একটি সান্ত্বনার গোল।
গোলের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা ছিল স্পষ্ট। একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যান রাকিব, হামজা, মোরসালিন, ফয়সালরা। কিন্তু সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষক ইজওয়ান মাহবুদের দুর্দান্ত সেভ আর রক্ষণভাগের শক্ত প্রতিরোধে আর ব্যবধান কমানো সম্ভব হয়নি।
ইনজুরি সময়ে রাকিবের ফ্রিকিক থেকে পাওয়া বলে হামজার শট লক্ষ্যে থাকেনি, এরপর তারিক কাজীর হেডও রুখে দেন মাহবুদ—যেটিই ছিল বাংলাদেশের শেষ বড় সুযোগ।
জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রায় ২০ হাজার দর্শকের সামনে এভাবে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। গোলের সুযোগ তৈরি করেও কাজে লাগাতে না পারার হতাশা যেন পাথরের মতো চেপে বসেছে খেলোয়াড়দের কাঁধে। লড়াই ছিল, কিন্তু ফলটা মেলেনি—ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।















