Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
প্রবাসী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ
লন্ডনে আ. লীগ নেতার ছেলের বিয়েতে সাবেক চার মন্ত্রীর উপস্থিতি
- আপডেট সময় : ০১:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
- / 241

যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগের এক নেতার ছেলের বিয়েতে শেখ হাসিনার সরকারের সাবেক চার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একসঙ্গে উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে।
রোববার স্থানীয় সময় লন্ডনের ওটু এলাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের ছেলে ফাইয়াজ রহমানের বিয়ের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আবদুর রহমান, সাবেক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারানোর পর এই প্রথম কোনো সামাজিক আয়োজনে একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গেল আওয়ামী লীগের এই চার সাবেক মন্ত্রীকে। এর আগে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সমাবেশে অংশ নিতে লন্ডনে দেখা গিয়েছিল আবদুর রহমান ও শফিকুর রহমানকে। খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে দেখা যায় ২ ফেব্রুয়ারির এক কর্মিসমাবেশে, আর হাছান মাহমুদকে প্রকাশ্যে দেখা যায় ৩০ মার্চ লন্ডনের ঈদ জামাতে। তখন গুঞ্জন ছিল তিনি বেলজিয়ামে অবস্থান করছিলেন।
তবে এই বিয়ের অনুষ্ঠানে সাবেক মন্ত্রীদের উপস্থিতিকে ভালোভাবে নেয়নি অনেক প্রবাসী নেতা-কর্মী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাজ্য যুবলীগের এক নেতা বলেন, “দেশে এখনো হাজার হাজার নেতা-কর্মী মামলা-হামলা, গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। অথচ সাবেক মন্ত্রীরা নির্বিঘ্নে বিলাসবহুল অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন—এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রীদের এই উপস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে অসন্তোষ এবং বিতর্ক দানা বাঁধছে। অনেকেই বিষয়টিকে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের প্রতি অবজ্ঞা ও দায়িত্বহীনতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন।










