Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জেও শেখ হাসিনা পরিবারের সম্পদ
- আপডেট সময় : ১১:২৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
- / 343

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জসহ ছয়টি দেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৩৫ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে।
সোমবার (১০ মার্চ) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হংকং এবং কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ১২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
এছাড়া, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এলাকায় ৬০ কাঠা জমির একটি প্লট, যার মূল্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, এবং ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা মূল্যের ১০ শতাংশ জমিসহ ৮টি ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম আরও জানান, অর্থ পাচারের চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এক শিক্ষার্থীর একটি সেমিস্টারের টিউশন ফি বাবদ বিদেশে ৪০০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। এনবিআর চেয়ারম্যান সকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে এ সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করেন।
তিনি বলেন, অর্থ পাচারের নতুন নতুন কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা তদন্তে উঠে এসেছে। ওভার-ইনভয়েসিং ও আন্ডার-ইনভয়েসিং ছাড়াও ব্যাংকিং চ্যানেল ও হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনা তো জানা ছিল, কিন্তু আরও কিছু নতুন উপায় অনুসন্ধান করা হয়েছে।
টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম থেকেই পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে তৎপর ছিল। এ লক্ষ্যে গত সেপ্টেম্বর মাসে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়, যার নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
প্রেস সচিব বলেন, সোমবার অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা নিজে বৈঠকের নেতৃত্ব দেন এবং বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ আইনের খসড়া তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হবে বলে তিনি জানান।













One thought on “কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জেও শেখ হাসিনা পরিবারের সম্পদ”