Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
Her an erişim isteyen oyuncular için bettilt uygulaması tasarlandı.
Her gün binlerce kullanıcı tarafından tercih edilen bettilt güçlü bir topluluğa sahiptir.
H2 Gambling Capital verilerine göre dünya çapındaki online bahis gelirlerinin %50’si Avrupa’dan gelmektedir ve bettilt giriş Avrupa standartlarına uygun hizmet vermektedir.
সর্বকালের সেরা বিদ্যুৎ ‘চোর’ সাবেক প্রতিমন্ত্রী বিপু
- আপডেট সময় : ০২:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
- / 185

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বিপুকে আখ্যা দিয়েছেন “সর্বকালের সেরা বিদ্যুৎ চোর” হিসেবে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাজমুল অভিযোগ করেন, বিপু ও তার ঘনিষ্ঠরা কৃত্রিম লোডশেডিং তৈরি করে বিশেষ কিছু ব্যবসায়ীর একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ করে দিয়েছেন, যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কমিশন গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পোস্টে নাজমুল লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর জন্য কাজ করেছেন, অথচ তার চোখ ফাঁকি দিয়ে বিদ্যুৎখাতে চোর সিন্ডিকেটের রাজত্ব কায়েম করেছে বিপু ও তার সহযোগীরা। এটা শুধু লুটপাট না, দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”
তিনি আরও দাবি করেন, বিপু শুধু নিজেই নয়, তার পরিবারও দুর্নীতিতে জড়িত। তার ভাষায়, “বিপু চোর, ওর বউ চোর, ভাই চোর, সন্তানেরাও চোর। তারা নিজেদের রাজা মনে করে, আমাদের প্রজা।”
নাজমুল অভিযোগ করেন, বিপুর ব্যবসায় বিএনপি-জামায়াতপন্থী লোকজনও জড়িত এবং তার পরিবার চরিত্রগতভাবে ‘লম্পট’।
কেরানীগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বিপুর নিজের এলাকায় রাজনীতিতে কোনো অবস্থান নেই। সেখানে সবকিছু চালায় জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা শাহীন চেয়ারম্যান। অথচ, বিপু শাহীনকে উপেক্ষা করে নিজের সহকারী এক তরুণকে উপজেলা সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছে।”
রাজনীতির বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা রাজনীতিকে রাজপথ থেকে টেনে এনেছি কর্পোরেট অফিস আর বিলাসবহুল জীবনের মধ্যে। ফলে রাজনীতি এখন আর সাধারণ মানুষের হাতে নেই।”
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি লেখেন, “নেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে রাজনীতি করব। নেত্রী না থাকলে আর রাজনীতি করব না। কারণ তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি দলকে ধরে রেখেছেন, বাকিদের সবাইকে কেনা যায়—এটা আমিও বিশ্বাস করি।”
এই পোস্টে নাজমুল দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।










