Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে গাঁজার গাছ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ১২:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
- / 197

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পেছনের পরিত্যক্ত জায়গা থেকে একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো শিক্ষার্থীর ফেলা বীজ থেকেই গাছটি অঙ্কুরিত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে। কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথমে গাছটি দেখতে পান এবং বিষয়টি দ্রুত হল প্রশাসনকে জানানো হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রশাসন গাছটি উদ্ধার করে ধ্বংস করে ফেলে।
এর আগেও হলে গাঁজার গাছ পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এমনকি গাঁজা সেবনের সময় শিক্ষার্থীদের আটক করার ঘটনাও রয়েছে, তবে সেসব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবার গাঁজার গাছ উদ্ধারের ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাব্বাস শেখ মিজান বলেন, “গাঁজার গাছ উদ্ধারের ঘটনায় আমরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। বিশ্ববিদ্যালয় একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান, এখানে এ ধরনের মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনা শিক্ষার পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন বলেন, “জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকদ্রব্যের চাষ অত্যন্ত দুঃখজনক। হলের পেছনের এলাকায় বারবার এমন ঘটনা ঘটায় আমরা হল প্রশাসনের নজরদারির ঘাটতি দেখতে পাচ্ছি।”
এ বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হলের সহকারী হল প্রভোস্ট মো. ফারুক গাজী বলেন, “একটি গাঁজার গাছ জন্মেছে এমন খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা তা সরিয়ে নিই এবং ধ্বংস করি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।












