Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
নরসিংদীতে জুলাই শহীদ-আহতদের সুখবর দিলেন রিজভী
- আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
- / 207

বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সার্বিক দায়িত্ব রাষ্ট্র গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (২৩ মে) দুপুরে নরসিংদীর সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চৌয়া গ্রামে শহীদ আরমান মোল্লার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তিনি এ সুখবর দেন।
রিজভী বলেন, “আজকে যাঁরা আন্দোলনের সুফল ভোগ করছেন, উপদেষ্টা কিংবা নেতৃত্বের পদে আসীন হয়েছেন, এমনকি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করছেন—তাঁদের উচিত শহীদ পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া। যারা রক্ত দিয়ে এ পথ সুগম করেছে, সেই শহীদদের তালিকা আজ কোথায়? তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো কি আমাদের দায়িত্ব নয়?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আজ কিছুটা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছি শহীদ আরমান মোল্লার মতো বীরদের আত্মত্যাগের কারণে। অথচ তাঁর সন্তানরা আজ এতিমখানায় থাকতে বাধ্য হচ্ছে—এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা শুধু সহানুভূতি জানাতে নয়, দায়িত্ব নিতে এসেছি।”
রুহুল কবির রিজভী জানান, এই ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিষয়টি আমলে নেন এবং শহীদ আরমানের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ টিমকে নির্দেশ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ সরেজমিনে উপস্থিত হন।
এ সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, উপদেষ্টা আবুল কাশেম, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মেহেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আ. রশিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২১ জুলাই নরসিংদীর শিলমান্দী ইউনিয়ন এলাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আরমান মোল্লা। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারটি চরম মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। স্ত্রী সালমা বেগম তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে মাহি (১০) ও ছেলে রাফিকে (৭) এতিমখানায় পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি ছোট মেয়ে আফরামনি (৩) কে নিয়ে জীবনযুদ্ধে লড়ছেন একাকী।
বিএনপি নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন, শহীদ আরমানের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে তারা সর্বাত্মক সহায়তা করবেন।












