Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
দেশে ফিরেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- আপডেট সময় : ১১:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
- / 238

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সফরসঙ্গীরাও এই ফ্লাইটেই দেশে ফেরেন। এর আগে থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ব্যাংককের সুবর্ণভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস দুই দিনের এ সফরে বিমসটেক সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্রের নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন, যেখানে আঞ্চলিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা বিষয় উঠে আসে।
প্রধান উপদেষ্টা গত বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে বিমানযোগে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরটি ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্তর্বর্তী সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এবং বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়ার আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
সম্মেলনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। শুক্রবার দুপুর ১২টায় ব্যাংককের সাংগ্রিলা হোটেলে দুই নেতার মধ্যে ৪০ মিনিটব্যাপী এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক ও গঠনমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। মোদি আহ্বান জানান, পরিবেশ নষ্ট হতে পারে এমন বক্তব্য পরিহার করতে। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, সীমান্ত হত্যা, গঙ্গা ও তিস্তা চুক্তি, এবং ভারতে বসে তাঁর উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ জানান।
মোদি-ইউনূসের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদদের সঙ্গে কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। এ সময় তিনি মোদির এই অবস্থানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এই মনোভাব থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে বাস্তবতার নিরিখে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ার বিষয়ে ভারতের আকাঙ্ক্ষার কথা আবারও অধ্যাপক ইউনূসের কাছে তুলে ধরেছেন তিনি (মোদি)। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আরও আহ্বান জানিয়েছেন, পরিবেশ নষ্ট করে এমন কোনো বক্তব্য পরিহার করাই সর্বোত্তম।’










