ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়পুরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বেড়ি নির্বাচনের আগেই ফিরতে মরিয়া ‘পলাতক শক্তি’ বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরের ওপর আগুন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্র মানুষ নস্যাৎ করবে বিজয় দিবসে দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবো না: কাদের সিদ্দিকী জুলাই যোদ্ধা তামিমের বাবাকে জীবিত উদ্ধার মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম

Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.

Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.

Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.

Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.

Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.

Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.

জামায়াতের নিবন্ধন বৈধ: ইসির সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে প্রতীক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 226

জামায়াত-দাঁড়িপাল্লা প্রতীক

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে দলটির রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বৈধতা ফিরে পেল।

রোববার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন। জামায়াতের পক্ষে করা আপিল গ্রহণ করে আদালত রায় দিলে দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি লড়াইয়ে দলটি স্বস্তি ফিরে পায়।

তবে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) নেবে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।

জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও মো. শিশির মনির। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন জামায়াতকে সাময়িকভাবে নিবন্ধন দেয়। কিন্তু ২০০৯ সালে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে রিট করেন ২৫ জন, যাদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতা ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা। এরপর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে।

তবে জামায়াত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে, যা পরে কয়েক ধাপে শুনানির মধ্য দিয়ে এগোয়। মাঝে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের পক্ষে কেউ উপস্থিত না থাকায় আপিল বিভাগ আপিল খারিজ করে দেয়। পরে বিলম্ব মাফ করে আপিল পুনরুজ্জীবনের আবেদন গ্রহণ করে শুনানি শুরু হয়।

এদিকে, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতসহ কয়েকটি সংগঠন নিষিদ্ধ করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং জামায়াত পুনরায় সক্রিয়ভাবে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

রোববারের রায়ের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক বৈধতা ফিরলেও তাদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ফিরে পাবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জামায়াতের নিবন্ধন বৈধ: ইসির সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে প্রতীক

আপডেট সময় : ১২:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে দলটির রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বৈধতা ফিরে পেল।

রোববার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন। জামায়াতের পক্ষে করা আপিল গ্রহণ করে আদালত রায় দিলে দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি লড়াইয়ে দলটি স্বস্তি ফিরে পায়।

তবে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) নেবে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।

জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও মো. শিশির মনির। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন জামায়াতকে সাময়িকভাবে নিবন্ধন দেয়। কিন্তু ২০০৯ সালে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে রিট করেন ২৫ জন, যাদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতা ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা। এরপর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে।

তবে জামায়াত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে, যা পরে কয়েক ধাপে শুনানির মধ্য দিয়ে এগোয়। মাঝে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের পক্ষে কেউ উপস্থিত না থাকায় আপিল বিভাগ আপিল খারিজ করে দেয়। পরে বিলম্ব মাফ করে আপিল পুনরুজ্জীবনের আবেদন গ্রহণ করে শুনানি শুরু হয়।

এদিকে, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতসহ কয়েকটি সংগঠন নিষিদ্ধ করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং জামায়াত পুনরায় সক্রিয়ভাবে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

রোববারের রায়ের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক বৈধতা ফিরলেও তাদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ফিরে পাবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করছে।