ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়পুরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বেড়ি নির্বাচনের আগেই ফিরতে মরিয়া ‘পলাতক শক্তি’ বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরের ওপর আগুন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্র মানুষ নস্যাৎ করবে বিজয় দিবসে দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবো না: কাদের সিদ্দিকী জুলাই যোদ্ধা তামিমের বাবাকে জীবিত উদ্ধার মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম

Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.

Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.

Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.

Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.

Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.

Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.

আমেরিকার টেক্সাসে বন্যায় ৭৮ জনের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 206
দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪১ জন। শুক্রবার শুরু হওয়া এই দুর্যোগের ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে কার কাউন্টিতে, যেখানে একাই ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ জনই শিশু।

কার কাউন্টিতে গুয়ারডালুপ নদীর তীরে অবস্থিত খ্রিস্টান মেয়েদের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণকেন্দ্র ‘ক্যাম্প মিস্টিক’ সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে। ক্যাম্পের ১০ জন কিশোরী ও তাদের একজন পরামর্শক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকাজে নিয়োজিত এক কর্মকর্তা বলেন, “জায়গাটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, কেউ যদি আশেপাশে আশ্রয় নিতে পেরে থাকে—তাহলেই বেঁচে থাকতে পারে।”

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হতে পারে এবং প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্তৃপক্ষ।

উদ্ধারকারীরা কাদামাটির স্তূপ ও বিধ্বস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্য দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। বিষাক্ত সাপ ও বিপজ্জনক অবকাঠামো উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বন্যার তিন দিন পার হয়ে যাওয়ার পরও উদ্ধার অভিযান পুরোপুরি থামেনি। তবে কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, অভিযান এখন ধীরে ধীরে উদ্ধার-পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।

কার কাউন্টিতে উদ্ধার করা মরদেহগুলোর মধ্যে এখনও ১৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক১০ জন শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন,

“নিখোঁজ প্রত্যেককে খুঁজে বের করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কারো জন্যই কমতি থাকবে না।”

রোববার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কার কাউন্টিকে ‘দুর্যোগ এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং ফেডারেল জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থাকে (FEMA) জরুরি সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই ত্রাণ সহায়তায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। কেউ খাবার সরবরাহ করছেন, কেউ আশ্রয় দিচ্ছেন, আবার কেউ জামাকাপড় ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দিচ্ছেন দুর্গতদের কাছে।

এক বাসিন্দা বলেন,

“এখানে সবাই এখন একে অন্যের পাশে। যেভাবে পারি, আমরা একে অপরকে বাঁচাতে চাই।”

বন্যায় নদীর পাশের দুই লেনের মহাসড়ক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আশপাশের ভাঙা বাড়ি, উপড়ে পড়া গাছ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আসবাবপত্র, বিদ্যুৎ খুঁটি—সব মিলিয়ে এক মৃত্যুপুরীর চেহারা নিয়েছে পুরো এলাকা।

এই দুর্যোগ কেবল টেক্সাস নয়, পুরো যুক্তরাষ্ট্রকেই কাঁপিয়ে দিয়েছে। এখনো চলছে জীবন বাঁচানোর লড়াই। নিখোঁজদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় পরিবারগুলো কাটাচ্ছে মুহূর্তকে মুহূর্ত। এই সময়েই প্রমাণ হচ্ছে—মানুষের পাশে মানুষই শেষ ভরসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আমেরিকার টেক্সাসে বন্যায় ৭৮ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ১০:১২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪১ জন। শুক্রবার শুরু হওয়া এই দুর্যোগের ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে কার কাউন্টিতে, যেখানে একাই ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ জনই শিশু।

কার কাউন্টিতে গুয়ারডালুপ নদীর তীরে অবস্থিত খ্রিস্টান মেয়েদের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণকেন্দ্র ‘ক্যাম্প মিস্টিক’ সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে। ক্যাম্পের ১০ জন কিশোরী ও তাদের একজন পরামর্শক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকাজে নিয়োজিত এক কর্মকর্তা বলেন, “জায়গাটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, কেউ যদি আশেপাশে আশ্রয় নিতে পেরে থাকে—তাহলেই বেঁচে থাকতে পারে।”

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হতে পারে এবং প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্তৃপক্ষ।

উদ্ধারকারীরা কাদামাটির স্তূপ ও বিধ্বস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্য দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। বিষাক্ত সাপ ও বিপজ্জনক অবকাঠামো উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বন্যার তিন দিন পার হয়ে যাওয়ার পরও উদ্ধার অভিযান পুরোপুরি থামেনি। তবে কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, অভিযান এখন ধীরে ধীরে উদ্ধার-পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।

কার কাউন্টিতে উদ্ধার করা মরদেহগুলোর মধ্যে এখনও ১৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক১০ জন শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন,

“নিখোঁজ প্রত্যেককে খুঁজে বের করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কারো জন্যই কমতি থাকবে না।”

রোববার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কার কাউন্টিকে ‘দুর্যোগ এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং ফেডারেল জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থাকে (FEMA) জরুরি সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই ত্রাণ সহায়তায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। কেউ খাবার সরবরাহ করছেন, কেউ আশ্রয় দিচ্ছেন, আবার কেউ জামাকাপড় ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দিচ্ছেন দুর্গতদের কাছে।

এক বাসিন্দা বলেন,

“এখানে সবাই এখন একে অন্যের পাশে। যেভাবে পারি, আমরা একে অপরকে বাঁচাতে চাই।”

বন্যায় নদীর পাশের দুই লেনের মহাসড়ক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আশপাশের ভাঙা বাড়ি, উপড়ে পড়া গাছ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আসবাবপত্র, বিদ্যুৎ খুঁটি—সব মিলিয়ে এক মৃত্যুপুরীর চেহারা নিয়েছে পুরো এলাকা।

এই দুর্যোগ কেবল টেক্সাস নয়, পুরো যুক্তরাষ্ট্রকেই কাঁপিয়ে দিয়েছে। এখনো চলছে জীবন বাঁচানোর লড়াই। নিখোঁজদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় পরিবারগুলো কাটাচ্ছে মুহূর্তকে মুহূর্ত। এই সময়েই প্রমাণ হচ্ছে—মানুষের পাশে মানুষই শেষ ভরসা।