Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন চায় ইসলামী আন্দোলন
- আপডেট সময় : ০৩:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
- / 374

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। তারা চান, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামটি বদলে নতুন নাম রাখা হোক ‘বাংলাদেশ জনকল্যাণ রাষ্ট্র’।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যালয়ে দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ প্রস্তাবনা জমা দেন। প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন ঐকমত্য কমিশনের প্রধান আলী রিয়াজ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লিখিত মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের নাম যেন জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রতিফলন ঘটায়, সেই উদ্দেশ্যে ‘পিপলস ওয়েলফেয়ার স্টেট অব বাংলাদেশ’ নামটি প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন জানান, তারা মোট চারটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে শুদ্ধাচার নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থা, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, এবং শরিয়া ভিত্তিক আইন প্রণয়নের দাবি।
তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতি ও দুঃশাসন রোধে শরিয়া আইন প্রণয়ন অত্যাবশ্যক। এ বিষয়ে বিএনপিও একমত বলে দাবি করেন তিনি।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এর আগে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম পরিবর্তন চেয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশন। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রতিবেদন জমা দেয়া প্রতিবেদনে একগুচ্ছ সুপারিশের মধ্যে সরকারের সাংবিধানিক নামের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন চেয়েছেন তারা।
জানা গেছে, নিজেদের প্রতিবেদনে রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতির মধ্যে তিনটিই বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে অধ্যাপক আলী রীয়াজের কমিশন। সেইসঙ্গে শুধু গণতন্ত্র বহাল রেখে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন আরও চারটি মূলনীতি সংযুক্তিরও সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এছাড়া, সংবিধানে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং ‘প্রজাতন্ত্রে’র পরিবর্তে ‘নাগরিকতন্ত্র’ শব্দ ব্যবহারের সুপারিশও করেছে কমিশন।
বর্তমানে সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার যে চার মূলনীতি রয়েছে সেগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে যে সংবিধান প্রণীত হয়েছিল, তাতে রাষ্ট্র পরিচালনার এই চার মূলনীতি গৃহীত হয়েছিল।










