ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়পুরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বেড়ি নির্বাচনের আগেই ফিরতে মরিয়া ‘পলাতক শক্তি’ বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরের ওপর আগুন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্র মানুষ নস্যাৎ করবে বিজয় দিবসে দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবো না: কাদের সিদ্দিকী জুলাই যোদ্ধা তামিমের বাবাকে জীবিত উদ্ধার মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম

Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.

Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.

Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.

Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.

Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.

Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.

Her an erişim isteyen oyuncular için bettilt uygulaması tasarlandı.

Her gün binlerce kullanıcı tarafından tercih edilen bettilt güçlü bir topluluğa sahiptir.

H2 Gambling Capital verilerine göre dünya çapındaki online bahis gelirlerinin %50’si Avrupa’dan gelmektedir ve bettilt giriş Avrupa standartlarına uygun hizmet vermektedir.

বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন চায় ইসলামী আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 378

ঐক্যমত কমিশনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। তারা চান, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামটি বদলে নতুন নাম রাখা হোক ‘বাংলাদেশ জনকল্যাণ রাষ্ট্র’।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যালয়ে দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ প্রস্তাবনা জমা দেন। প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন ঐকমত্য কমিশনের প্রধান আলী রিয়াজ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লিখিত মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের নাম যেন জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রতিফলন ঘটায়, সেই উদ্দেশ্যে ‘পিপলস ওয়েলফেয়ার স্টেট অব বাংলাদেশ’ নামটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন জানান, তারা মোট চারটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে শুদ্ধাচার নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থা, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, এবং শরিয়া ভিত্তিক আইন প্রণয়নের দাবি।

তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতি ও দুঃশাসন রোধে শরিয়া আইন প্রণয়ন অত্যাবশ্যক। এ বিষয়ে বিএনপিও একমত বলে দাবি করেন তিনি।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এর আগে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম পরিবর্তন চেয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশন। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রতিবেদন জমা দেয়া প্রতিবেদনে একগুচ্ছ সুপারিশের মধ্যে সরকারের সাংবিধানিক নামের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন চেয়েছেন তারা।

জানা গেছে, নিজেদের প্রতিবেদনে রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতির মধ্যে তিনটিই বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে অধ্যাপক আলী রীয়াজের কমিশন। সেইসঙ্গে শুধু গণতন্ত্র বহাল রেখে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন আরও চারটি মূলনীতি সংযুক্তিরও সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এছাড়া, সংবিধানে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং ‘প্রজাতন্ত্রে’র পরিবর্তে ‘নাগরিকতন্ত্র’ শব্দ ব্যবহারের সুপারিশও করেছে কমিশন।

বর্তমানে সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার যে চার মূলনীতি রয়েছে সেগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে যে সংবিধান প্রণীত হয়েছিল, তাতে রাষ্ট্র পরিচালনার এই চার মূলনীতি গৃহীত হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন চায় ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। তারা চান, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামটি বদলে নতুন নাম রাখা হোক ‘বাংলাদেশ জনকল্যাণ রাষ্ট্র’।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যালয়ে দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ প্রস্তাবনা জমা দেন। প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন ঐকমত্য কমিশনের প্রধান আলী রিয়াজ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লিখিত মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের নাম যেন জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রতিফলন ঘটায়, সেই উদ্দেশ্যে ‘পিপলস ওয়েলফেয়ার স্টেট অব বাংলাদেশ’ নামটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন জানান, তারা মোট চারটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে শুদ্ধাচার নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থা, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, এবং শরিয়া ভিত্তিক আইন প্রণয়নের দাবি।

তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতি ও দুঃশাসন রোধে শরিয়া আইন প্রণয়ন অত্যাবশ্যক। এ বিষয়ে বিএনপিও একমত বলে দাবি করেন তিনি।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এর আগে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম পরিবর্তন চেয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশন। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রতিবেদন জমা দেয়া প্রতিবেদনে একগুচ্ছ সুপারিশের মধ্যে সরকারের সাংবিধানিক নামের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন চেয়েছেন তারা।

জানা গেছে, নিজেদের প্রতিবেদনে রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতির মধ্যে তিনটিই বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে অধ্যাপক আলী রীয়াজের কমিশন। সেইসঙ্গে শুধু গণতন্ত্র বহাল রেখে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন আরও চারটি মূলনীতি সংযুক্তিরও সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এছাড়া, সংবিধানে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং ‘প্রজাতন্ত্রে’র পরিবর্তে ‘নাগরিকতন্ত্র’ শব্দ ব্যবহারের সুপারিশও করেছে কমিশন।

বর্তমানে সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার যে চার মূলনীতি রয়েছে সেগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে যে সংবিধান প্রণীত হয়েছিল, তাতে রাষ্ট্র পরিচালনার এই চার মূলনীতি গৃহীত হয়েছিল।