Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
প্রধান উপদেষ্টা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন চায় জামায়াত
- আপডেট সময় : ০২:৫২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
- / 220

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা যে সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন, তার মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। মঙ্গলবার (৩ জুন) রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত সময়সীমার কথা বলেছেন। আমরা মনে করি, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির মধ্যে, অর্থাৎ রমজানের আগে অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। কোনো কারণে দেরি হলে এপ্রিলের মধ্যেই নির্বাচন শেষ করা দরকার। কারণ, মে থেকে দেশের আবহাওয়া খারাপের দিকে যায়, যা ভোটের জন্য অনুকূল সময় নয়।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সময়সীমা নির্ধারণ করার কোনো এখতিয়ার রাখি না। তবে মতামত দেওয়ার অধিকার আমাদের রয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।”
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “এখনই আমরা আশা বা আশঙ্কার কিছু বলতে চাই না। নির্বাচন কমিশনের কর্মদক্ষতা আমরা আরও কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করবো।”
দলের নিবন্ধন বাতিলের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যারা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, তাদের নিয়ে এখনো চিন্তা করছি না। তবে ভবিষ্যতে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।”
ফ্যাসিবাদ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, “যারা জীবন বাজি রেখে ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন, তারা আজ হতাশ। কারণ, ফ্যাসিস্টরা বিদায় নিলেও ফ্যাসিবাদ এখনো রয়ে গেছে। এর অন্ধকার ছায়া জাতিকে তাড়া করে ফিরছে।”
সংবাদ সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।










