ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়পুরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বেড়ি নির্বাচনের আগেই ফিরতে মরিয়া ‘পলাতক শক্তি’ বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরের ওপর আগুন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্র মানুষ নস্যাৎ করবে বিজয় দিবসে দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবো না: কাদের সিদ্দিকী জুলাই যোদ্ধা তামিমের বাবাকে জীবিত উদ্ধার মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম

Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.

Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.

Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.

Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.

Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.

Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.

চাঁদাবাজির অভিযোগে নাহিদ ইসলামের সহযোগী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / 245

চাঁদাবাজির অভিযোগে নাহিদ ইসলামের সহযোগী গ্রেপ্তার

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গুলশানের অভিজাত এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার হয়েছে পাঁচজন, যারা নিজেদের একটি ছাত্র সংগঠনের “সমন্বয়ক” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিল এবং ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা গ্রহণও করে। বাকি অর্থ তুলতে গিয়ে পুলিশের ফাঁদে ধরা পড়ে তারা।

এই ঘটনায় যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি, তার নাম আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলায়মান রিয়াদ। তিনি “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন”-এর ঢাকা মহানগর শাখার সিনিয়র সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে রিয়াদের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও পোস্ট, যেখানে তাকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা গেছে নাহিদ ইসলাম নামের আরেক রাজনৈতিক কর্মীর সঙ্গে।

রিয়াদ নিয়মিত নাহিদ ইসলামকে “কমরেড” বলে সম্বোধন করতেন এবং রাজনৈতিক আদর্শে তার অনুসারী বলেও লিখেছেন একাধিকবার। তাদের একসঙ্গে তোলা বহু ছবি ঘুরছে এখন ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে।

অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—এত ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকার পরও নাহিদ ইসলাম কি এই চক্রের কর্মকাণ্ড থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিলেন? কিংবা, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি’ পরিচয়ধারী কেউ কীভাবে এমন একটি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হতে পারেন?

বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার জল্পনা এখন আরও তীব্র। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা কেবল সাধারণ অপরাধ নয়—এটি ছাত্র রাজনীতির নামে গড়ে ওঠা একটি সুবিধাবাদী নেটওয়ার্কের দৃষ্টান্তও হতে পারে। অনেকেই চাইছেন, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হোক, যাতে প্রয়োজন হলে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকদেরও বিচারের আওতায় আনা যায়।

এই মুহূর্তে রিয়াদ ও তার সহযোগীরা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং মামলার প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তে নাহিদ ইসলামের সম্পৃক্ততা থাকলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে—এমনটিও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চাঁদাবাজির অভিযোগে নাহিদ ইসলামের সহযোগী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

গুলশানের অভিজাত এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার হয়েছে পাঁচজন, যারা নিজেদের একটি ছাত্র সংগঠনের “সমন্বয়ক” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিল এবং ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা গ্রহণও করে। বাকি অর্থ তুলতে গিয়ে পুলিশের ফাঁদে ধরা পড়ে তারা।

এই ঘটনায় যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি, তার নাম আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলায়মান রিয়াদ। তিনি “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন”-এর ঢাকা মহানগর শাখার সিনিয়র সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে রিয়াদের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও পোস্ট, যেখানে তাকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা গেছে নাহিদ ইসলাম নামের আরেক রাজনৈতিক কর্মীর সঙ্গে।

রিয়াদ নিয়মিত নাহিদ ইসলামকে “কমরেড” বলে সম্বোধন করতেন এবং রাজনৈতিক আদর্শে তার অনুসারী বলেও লিখেছেন একাধিকবার। তাদের একসঙ্গে তোলা বহু ছবি ঘুরছে এখন ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে।

অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—এত ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকার পরও নাহিদ ইসলাম কি এই চক্রের কর্মকাণ্ড থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিলেন? কিংবা, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি’ পরিচয়ধারী কেউ কীভাবে এমন একটি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হতে পারেন?

বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার জল্পনা এখন আরও তীব্র। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা কেবল সাধারণ অপরাধ নয়—এটি ছাত্র রাজনীতির নামে গড়ে ওঠা একটি সুবিধাবাদী নেটওয়ার্কের দৃষ্টান্তও হতে পারে। অনেকেই চাইছেন, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হোক, যাতে প্রয়োজন হলে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকদেরও বিচারের আওতায় আনা যায়।

এই মুহূর্তে রিয়াদ ও তার সহযোগীরা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং মামলার প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তে নাহিদ ইসলামের সম্পৃক্ততা থাকলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে—এমনটিও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।