ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়পুরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বেড়ি নির্বাচনের আগেই ফিরতে মরিয়া ‘পলাতক শক্তি’ বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরের ওপর আগুন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্র মানুষ নস্যাৎ করবে বিজয় দিবসে দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবো না: কাদের সিদ্দিকী জুলাই যোদ্ধা তামিমের বাবাকে জীবিত উদ্ধার মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম

Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.

Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.

Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.

Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.

Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.

Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.

লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড স্টাইলে মেঘনা আলমকে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 245

মেঘলা আলম

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উদ্যোক্তা ও মডেল মেঘনা আলমকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড স্টাইলে আটক করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে রাষ্ট্রনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী জার্নাল রাষ্ট্রচিন্তা। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তারা এই ঘটনাকে নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “মেঘনা আলমকে যেভাবে রাতে পরিচয় গোপন করে আটক করা হয়েছে—যা পরে বিভিন্ন বাহিনীর পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে আরও বিভ্রান্তিকর রূপ নেয়—তা রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মারাত্মক ঘাটতি প্রকাশ করে। প্রথমে পুলিশ পরিচয় গোপন, পরে মাদকের অভিযোগ, আবার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দায় অস্বীকার—সব মিলে এটিকে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ ধরনের নিখোঁজ নাটক বলে মনে হচ্ছে।”

রাষ্ট্রচিন্তা আরও বলেছে, মেঘনা আলমকে আটক করা হয়েছে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত ও অপব্যবহৃত একটি আইন। “এই আইন এক সময় স্বৈরশাসনের হাতিয়ার ছিল। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও এই আইনের ছত্রছায়ায় গুম, নিখোঁজ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। এখনো এই আইন ব্যবহার করে মানুষকে গায়েব করে জেলে পাঠানো হয়—যাকে অনেকেই ‘আইনানুগ গুম’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।”

বিবৃতিতে এ আইনকে সরাসরি গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, “বর্তমান সময়ে এই আইন টিকে থাকা কেবল অমানবিক নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আত্মবিরোধিতার প্রকাশ।”

রাষ্ট্রচিন্তা আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এ ঘটনার পেছনে একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত প্রভাব ও প্রতিহিংসার অভিযোগ উঠেছে, যা দেশের কূটনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। “রাষ্ট্র যদি এতে নীরব থাকে, তবে সেটি হবে আত্মঘাতী অবহেলা এবং কূটনৈতিক দুর্বলতার প্রকাশ।”

অভিনেত্রী মেঘলা আলম
অভিনেত্রী মেঘলা আলম

ঘটনার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রচিন্তা চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে:

মেঘনা আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তবে প্রচলিত আইনের আওতায় স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন বিলুপ্ত করতে হবে। এই আইন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির বড় বাধা।

ঘটনায় জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যক্তিগত বা কূটনৈতিক প্রতিহিংসার যন্ত্র হতে পারে না।

বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে তার কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

বিবৃতির শেষাংশে রাষ্ট্রচিন্তা স্পষ্ট করে বলেছে, “একটি রাষ্ট্র তখনই প্রকৃতভাবে মর্যাদাপূর্ণ হয়, যখন সে তার দুর্বলতম নাগরিকেরও অধিকার রক্ষা করে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অন্ধ অপব্যবহার কেবল আইনি অপরাধ নয়—এটি একটি ভয়ানক নৈতিক ব্যর্থতা, যার বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড স্টাইলে মেঘনা আলমকে আটক

আপডেট সময় : ১০:২৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

উদ্যোক্তা ও মডেল মেঘনা আলমকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড স্টাইলে আটক করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে রাষ্ট্রনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী জার্নাল রাষ্ট্রচিন্তা। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তারা এই ঘটনাকে নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “মেঘনা আলমকে যেভাবে রাতে পরিচয় গোপন করে আটক করা হয়েছে—যা পরে বিভিন্ন বাহিনীর পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে আরও বিভ্রান্তিকর রূপ নেয়—তা রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মারাত্মক ঘাটতি প্রকাশ করে। প্রথমে পুলিশ পরিচয় গোপন, পরে মাদকের অভিযোগ, আবার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দায় অস্বীকার—সব মিলে এটিকে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ ধরনের নিখোঁজ নাটক বলে মনে হচ্ছে।”

রাষ্ট্রচিন্তা আরও বলেছে, মেঘনা আলমকে আটক করা হয়েছে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত ও অপব্যবহৃত একটি আইন। “এই আইন এক সময় স্বৈরশাসনের হাতিয়ার ছিল। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও এই আইনের ছত্রছায়ায় গুম, নিখোঁজ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। এখনো এই আইন ব্যবহার করে মানুষকে গায়েব করে জেলে পাঠানো হয়—যাকে অনেকেই ‘আইনানুগ গুম’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।”

বিবৃতিতে এ আইনকে সরাসরি গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, “বর্তমান সময়ে এই আইন টিকে থাকা কেবল অমানবিক নয়, বরং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আত্মবিরোধিতার প্রকাশ।”

রাষ্ট্রচিন্তা আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এ ঘটনার পেছনে একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ব্যক্তিগত প্রভাব ও প্রতিহিংসার অভিযোগ উঠেছে, যা দেশের কূটনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। “রাষ্ট্র যদি এতে নীরব থাকে, তবে সেটি হবে আত্মঘাতী অবহেলা এবং কূটনৈতিক দুর্বলতার প্রকাশ।”

অভিনেত্রী মেঘলা আলম
অভিনেত্রী মেঘলা আলম

ঘটনার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রচিন্তা চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে:

মেঘনা আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তবে প্রচলিত আইনের আওতায় স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন বিলুপ্ত করতে হবে। এই আইন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির বড় বাধা।

ঘটনায় জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যক্তিগত বা কূটনৈতিক প্রতিহিংসার যন্ত্র হতে পারে না।

বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে তার কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

বিবৃতির শেষাংশে রাষ্ট্রচিন্তা স্পষ্ট করে বলেছে, “একটি রাষ্ট্র তখনই প্রকৃতভাবে মর্যাদাপূর্ণ হয়, যখন সে তার দুর্বলতম নাগরিকেরও অধিকার রক্ষা করে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অন্ধ অপব্যবহার কেবল আইনি অপরাধ নয়—এটি একটি ভয়ানক নৈতিক ব্যর্থতা, যার বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”