Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
রাবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ
একাত্তর হারেনি, হেরে গেছে হাসিনা
- আপডেট সময় : ১১:৪০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
- / 286

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাহবাগ বিরোধী ছাত্র ঐক্য মঞ্চ ও গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর ও শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বর এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহবাগবিরোধী ছাত্র ঐক্য মঞ্চ ‘শাহবাগীদের বিচারের দাবিতে’ একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। একই সময়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির প্রতিবাদে মশাল মিছিল শুরু করলে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষ শুরু হয়।
শাহবাগবিরোধী ছাত্র ঐক্যের মিছিল থেকে ‘শাহবাগের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ছাত্রফ্রন্টের ঠিকানা এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘শাহবাগীদের বিচার চাই’সহ নানা স্লোগান দেওয়া হয়।
সংগঠনটির আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম বলেন, “২০১৩ সালে শাহবাগে রাষ্ট্রবিরোধীভাবে মবতন্ত্র চালু হয়েছিল। আমরা সেই অপশক্তির বিচার চাই। কিন্তু আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হঠাৎ মশাল নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।”
আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছিলাম। হঠাৎ করে বামপন্থীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাদের ভাইদের আহত করেছে। আমরা এর বিচার চাই।”
অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের মিছিলে ‘একাত্তর হারেনি, হেরে গেছে হাসিনা’, ‘তুমি কে আমি কে, ৭১ ২৪’, ‘চিহ্নিত রাজাকার বাংলা ছাড়’সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান শোনা যায়।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম বলেন, “আমরা জামায়াত নেতা এটিএম আজহারের মুক্তির প্রতিবাদে মশাল মিছিল করছিলাম। শাহবাগবিরোধী ঐক্যের মিছিল থেকে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। সেখানে শিবিরের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও দেখা গেছে।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।










