Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
রুদ্ধশ্বাস জয়ে সমতায় সিরিজ শেষ করলো ভারত
- আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
- / 425

১২৩ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙার খুব কাছাকাছি গিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে তীরে এসে তরী ডুবিয়েছে তারা। ওভাল টেস্টে ভারতের দেওয়া ৩৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৬৯ রানে অলআউট হয়ে গেছে ইংল্যান্ড। এতে মাত্র ৬ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে শুভমান গিলের দল। এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ২-২ সমতায় শেষ করেছে ভারত।
শেষ দিনে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩৫ রান, হাতে ছিল ৪ উইকেট। তবে পঞ্চম দিনের শুরুতেই ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দলকে বাঁচাতে ভাঙা কাঁধ নিয়েই ব্যাট করতে নামেন ক্রিস ওকস।
জয়ের জন্য ১৭ রান প্রয়োজন থাকতে দলীয় ৩৫৭ রানে আউট হন জেমি ওভারটন। তার বিদায়ের পর শেষ ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আসেন ওকস। অপর প্রান্তে গাস অ্যাটকিনসন লড়াই চালিয়ে যান। তবে জয় থেকে মাত্র ৭ রান দূরে থাকতেই ২৯ বলে ১৭ রান করে আউট হয়ে যান অ্যাটকিনসন।
ওভাল টেস্টে প্রথম ইনিংসে ভারত করেছিল ২২৪ রান। জবাবে ইংল্যান্ড অলআউট হয় ২৪৭ রানে। ২৩ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভারত তোলে ৩৯৬ রান। ফলে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭৪ রান।
এই ম্যাচ জিততে হলে ১২৩ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙতে হতো ইংল্যান্ডকে। কারণ ওভালে তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ছিল ১৯০২ সালের, যখন তারা ২৬৩ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে জয় পেয়েছিল।
৩৭৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের সেঞ্চুরিতে জয়ের পথেই ছিল ইংল্যান্ড। রুট করেন ১০৫ ও ব্রুক ১১১ রান। শেষ দিনে তাদের সামনে ছিল সহজ সমীকরণ—৪ উইকেটে ৩৫ রান করতে হবে।
তবে সেই সহজ সমীকরণ পূরণ হতে দেননি ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। সিরাজ নেন ৫টি ও প্রসিদ্ধ নেন ৪টি উইকেট।















