Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
মৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতাও হত্যা মামলার আসামি
- আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
- / 165

বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কাউছার মাহমুদ নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের ৯১ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা আগে থেকেই মৃত—তাদের নামও এজাহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বুধবার (২ জুলাই) চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় নিহত কাউছারের বাবা মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব মামলাটি করেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক দেবাশীষ গুহ বুলবুল (মৃত: ৫ মার্চ ২০২১) এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য অমল মিত্র (মৃত: ৭ মে ২০২৩) রয়েছেন।
এছাড়া মামলায় নাম এসেছে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন ও রেজাউল করিম চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীসহ প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় কাউছার মাহমুদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে তিনি গুরুতর আহত হন ও দুই মাস পর ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে পরিবারের অভিযোগ, মারধরের কারণে কিডনি বিকলসহ নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়।
মামলায় একই ব্যক্তিকে একাধিকবার আসামি করার অভিযোগও উঠেছে। যেমন, সাবেক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারীর নাম তিনবার, ছাত্রলীগ নেতাদের নাম দুইবার করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
থানার ওসি আব্দুল করিম জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত করে বিষয়গুলো যাচাই করা হবে। এজাহারে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তদন্তে তা বেরিয়ে আসবে।
অভিযোগের বিষয়ে মামলার আসামিপক্ষ থেকে কেউ আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।










