ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩০ বিলিয়ন

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / 278

রিজার্ভ

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, রিজার্ভের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই রিজার্ভ ২৪.৯৯ বিলিয়ন ডলার।

গত ৩০ জুন পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩১.৭২ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে জুলাইয়ের ২৪ দিনে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১.৭২ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমেছে ১.৭১ বিলিয়ন ডলার।

রিজার্ভে এই ঘাটতির পেছনে অন্যতম কারণ হলো এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু) ৮ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের করা ২০১ কোটি ডলারের বকেয়া আমদানি বিল পরিশোধ। এ অর্থ পরিশোধের পর রিজার্ভ নেমে আসে ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলারে (BPM6 অনুযায়ী ২৪.৪৫ বিলিয়ন ডলার)।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮.৫ শতাংশ।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং আমদানি তুলনামূলকভাবে কম থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে চাপ অনেকটা কমে এসেছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ১০ মাস ধরে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে না। বরং সাম্প্রতিক সময়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্টো বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক সংস্কার, বাজেট সহায়তা ও বিদেশি ঋণের মাধ্যমে কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে আসায় রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩০ বিলিয়ন

আপডেট সময় : ১০:১৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, রিজার্ভের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই রিজার্ভ ২৪.৯৯ বিলিয়ন ডলার।

গত ৩০ জুন পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩১.৭২ বিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে জুলাইয়ের ২৪ দিনে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১.৭২ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমেছে ১.৭১ বিলিয়ন ডলার।

রিজার্ভে এই ঘাটতির পেছনে অন্যতম কারণ হলো এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু) ৮ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের করা ২০১ কোটি ডলারের বকেয়া আমদানি বিল পরিশোধ। এ অর্থ পরিশোধের পর রিজার্ভ নেমে আসে ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলারে (BPM6 অনুযায়ী ২৪.৪৫ বিলিয়ন ডলার)।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮.৫ শতাংশ।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং আমদানি তুলনামূলকভাবে কম থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে চাপ অনেকটা কমে এসেছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ১০ মাস ধরে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে না। বরং সাম্প্রতিক সময়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্টো বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক সংস্কার, বাজেট সহায়তা ও বিদেশি ঋণের মাধ্যমে কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে আসায় রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।