Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
কুপ্রস্তাব বিতর্কে এনসিপির দুই নেত্রীর টানাটানি
- আপডেট সময় : ১২:২৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
- / 185

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের বিরুদ্ধে একই দলের এক নেত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক অডিও ও স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় দলের অভ্যন্তর এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
বিষয়টি প্রথমে আলোচনায় আসে এনসিপির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীনের নাম ঘিরে। সামাজিক মাধ্যমে তার নামে প্রচারিত অডিও ক্লিপের পরিপ্রেক্ষিতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, “যার অডিও বলে ভিডিও বানিয়ে ফটোকার্ডে ভরাচ্ছেন, আমি চাইলে তার নাম প্রকাশ করে দিতে পারি, কিন্তু তা করছি না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর এটি তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মতো “পরিকল্পিত সাইবার আক্রমণ”। তার কথায়, “আমার কথা বা লেখা যদি গুরুত্বহীন হতো, তাহলে এত মানুষ আমার পেছনে লাগত না। আমি বিশ্বাস করি, সময়ই সব কিছুর উত্তর দেবে।”
তাজনূভার পক্ষে সরব হয়েছেন এনসিপির আরেক নেত্রী এবং অভিনয়শিল্পী নীলা ইসরাফিল। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, “অডিওতে যে নারী কণ্ঠ শোনা গেছে তা তাজনূভার নয়। এটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। সবাইকে অনুরোধ করব—মিথ্যা ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।”
এদিকে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা সারোয়ার তুষারকে দলীয়ভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই অভিযোগের কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা না দিলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাজনূভা সরাসরি অভিযুক্তের নাম উল্লেখ না করলেও, তার বক্তব্যে ঘটনার গম্ভীরতা স্পষ্ট। দল ও সামাজিক অঙ্গনের মধ্যে এই ‘অডিও কাণ্ড’ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটি সময়ই বলে দেবে।











