Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
উখিয়ায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের খাস জমি উদ্ধার
- আপডেট সময় : ১১:০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
- / 230

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পশ্চিমপাশে উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনারপাড়া সমুদ্রসৈকতে দীর্ঘদিন ধরে দখলকৃত প্রায় ৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ২ একর ৫৫ শতক সরকারি খাস জমি উদ্ধার করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে উখিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) যারীন তাসনিম তাসিন নেতৃত্বে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে এই জমি উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট জমিতে সরকারি সাইনবোর্ড টাঙানো হয়।
সহকারী কমিশনার জানান, জালিয়া পালং মৌজায় ১.২০ শতক এবং ইনানী মৌজায় ১.৩৫ একর খাস জমি অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করা হয়। তিনি বলেন, “মেরিন ড্রাইভের পশ্চিমপাশে পরিবেশগত সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকাজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সরকারী খাস জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছিল। এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, ঝাউবাগান কেটে দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এসব দোকান থেকে প্ল্যাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য ফেলার কারণে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, হুমকির মুখে পড়েছে সাগরলতা ও অন্যান্য উপকূলীয় উদ্ভিদ, যা পুরো এলাকায় পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে উখিয়াকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) হিসেবে ঘোষণা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু পর্যটনের অজুহাতে মেরিন ড্রাইভের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দিন দিন পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, পরিবেশবাদীরা বলছেন, উখিয়ার মেরিন ড্রাইভের পশ্চিমপাশের বালিয়াড়ি ও ঝাউবাগান দখল করে তৈরি করা সব অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার করতে হবে। শুধু উচ্ছেদ নয়, ভবিষ্যতে যেন কেউ পুনরায় দখল করতে না পারে সে জন্য স্থায়ী নজরদারির দাবি জানান তারা।












