Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
পূর্বের নির্বাচনী কর্মকর্তারা এবার দায়িত্বে থাকছেন না: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- আপডেট সময় : ০৪:৪০:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
- / 492
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আজ দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ছবি: বাসস

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “নির্বাচনে যাতে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব বা সন্দেহের সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পূর্বের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরত রাখা হচ্ছে। একইসাথে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ।”
সভায় জানানো হয়, এবার নির্বাচনে প্রতি কেন্দ্রেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার, গোয়েন্দা নজরদারি এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্য, পাঁচ লাখের বেশি আনসার ভিডিপি এবং ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে শেষ হবে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”











