Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.
টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- আপডেট সময় : ১০:২৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
- / 193

২০২৫ সালের টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ জন শীর্ষ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে যেসব ব্যক্তি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, উদ্ভাবনী শক্তি এবং সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনেন, টাইম ম্যাগাজিন তাদেরই তালিকাভুক্ত করে।
ড. ইউনূসকে শুধু তার অতীত সাফল্যের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠন ও নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সময়ে তার সক্রিয় ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানিয়ে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
টাইমে প্রকাশিত এক প্রশংসাসূচক লেখায় সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ড. ইউনূসের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, “গত বছর ছাত্র-নেতৃত্বাধীন এক গণআন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের কর্তৃত্ববাদী প্রধানমন্ত্রীর পতনের পর, একজন সুপরিচিত নেতা সামনে এসে জাতিকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নেন—তিনি হলেন মুহাম্মদ ইউনূস।”
হিলারি আরও উল্লেখ করেন, “বহু বছর আগে ইউনূস ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা দিয়ে বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন, যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী—বিশেষ করে নারীদের—আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখে। আজ লাখ লাখ নারী তার সেই উদ্যোগের মাধ্যমে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছেন।”
তিনি স্মৃতিচারণ করে লেখেন, “আমার ও বিল ক্লিনটনের সাথে তার প্রথম দেখা হয়েছিল যখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে আমাদের আমন্ত্রণে একটি অনুরূপ কর্মসূচি গঠনে সহযোগিতা করতে এসেছিলেন। এরপর বিশ্বব্যাপী তার কাজের যে প্রভাব আমি দেখেছি, তা সত্যিই অনন্য—জীবন বদলেছে, সমাজ এগিয়েছে, আর মানুষের মধ্যে আবারও আশার সঞ্চার হয়েছে।”
শেষে হিলারি বলেন, “আজ আবার তিনি দেশের প্রয়োজনে সাড়া দিয়েছেন। নিপীড়নের ছায়া থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করে মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতার চর্চা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মুক্ত সমাজ গঠনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।”











