ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়পুরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বেড়ি নির্বাচনের আগেই ফিরতে মরিয়া ‘পলাতক শক্তি’ বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরের ওপর আগুন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্র মানুষ নস্যাৎ করবে বিজয় দিবসে দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর বর্ণাঢ্য র‍্যালি পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবো না: কাদের সিদ্দিকী জুলাই যোদ্ধা তামিমের বাবাকে জীবিত উদ্ধার মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম

Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.

Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.

Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.

Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.

Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.

Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 169

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত

দৈনিক দেশ আমার অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। চিকিৎসকদের ভাষায়, তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা অনেকটাই ‘আনপ্রেডিকটেবল’—কখনো হঠাৎ জটিলতা বাড়ছে, আবার কখনো সাময়িক স্থিতিশীল থাকছে। ফলে উন্নতি বা অবনতির বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, বিদেশে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার মতো শারীরিক সক্ষমতা এখনো তৈরি হয়নি তাঁর। বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রফেসর সাহাবউদ্দীন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ড অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের তত্ত্বাবধানে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরাও সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসাসেবায় যুক্ত রয়েছেন।

মেডিকেল বোর্ডের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় গতকাল বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি বা অবনতি—কোনোটিই দেখা যায়নি। তবে তাঁর শারীরিক জটিলতা যে কোনো সময় বাড়তে বা কমতে পারে, এমন পরিস্থিতির মধ্যেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি বিবেচনায় তাঁকে ইলেক্টিভ ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে, যাতে ফুসফুসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায়। এই সাপোর্ট অব্যাহত রয়েছে।

মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানান, মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড প্রতিদিন তাঁর শারীরিক অবস্থা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরীক্ষায় তাঁর শরীরে একাধিক জটিলতা ধরা পড়েছে। এর মধ্যে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। শুরুতে এসব সমস্যার জন্য হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা ও বাইপ্যাপ মেশিনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে নেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের তথ্যমতে, গত ২৭ নভেম্বর তাঁর একিউট প্যানক্রিয়েটাইটিস ধরা পড়ে, যার নিবিড় চিকিৎসা এখনো চলমান। পাশাপাশি শরীরে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন শনাক্ত হওয়ায় তাঁকে উন্নত অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় নিয়মিত ডায়ালাইসিসও চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান সশরীরে উপস্থিত থেকে সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সমন্বয় করছেন। মেডিকেল বোর্ড ও পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। চিকিৎসকদের ভাষায়, তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা অনেকটাই ‘আনপ্রেডিকটেবল’—কখনো হঠাৎ জটিলতা বাড়ছে, আবার কখনো সাময়িক স্থিতিশীল থাকছে। ফলে উন্নতি বা অবনতির বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, বিদেশে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার মতো শারীরিক সক্ষমতা এখনো তৈরি হয়নি তাঁর। বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রফেসর সাহাবউদ্দীন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ড অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের তত্ত্বাবধানে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরাও সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসাসেবায় যুক্ত রয়েছেন।

মেডিকেল বোর্ডের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় গতকাল বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি বা অবনতি—কোনোটিই দেখা যায়নি। তবে তাঁর শারীরিক জটিলতা যে কোনো সময় বাড়তে বা কমতে পারে, এমন পরিস্থিতির মধ্যেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি বিবেচনায় তাঁকে ইলেক্টিভ ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে, যাতে ফুসফুসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায়। এই সাপোর্ট অব্যাহত রয়েছে।

মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানান, মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড প্রতিদিন তাঁর শারীরিক অবস্থা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরীক্ষায় তাঁর শরীরে একাধিক জটিলতা ধরা পড়েছে। এর মধ্যে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। শুরুতে এসব সমস্যার জন্য হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা ও বাইপ্যাপ মেশিনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে নেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের তথ্যমতে, গত ২৭ নভেম্বর তাঁর একিউট প্যানক্রিয়েটাইটিস ধরা পড়ে, যার নিবিড় চিকিৎসা এখনো চলমান। পাশাপাশি শরীরে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন শনাক্ত হওয়ায় তাঁকে উন্নত অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় নিয়মিত ডায়ালাইসিসও চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান সশরীরে উপস্থিত থেকে সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সমন্বয় করছেন। মেডিকেল বোর্ড ও পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।