চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল ভারত। ফাইনালে ২৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ছয় বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে তারা।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন রোহিত শর্মা ও শুবমান গিল। বিশেষ করে রোহিত ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। তার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারত দ্রুত রান তোলে এবং প্রথম উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়ে। ৩১ রান করে গিল আউট হলে ভারতের ইনিংসে প্রথম ধাক্কা লাগে। এরপর রোহিতও ৭৬ রান করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে দল।
বিরাট কোহলিও দ্রুত ১ রান করে আউট হলে ১২২ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত। তবে চাপের মুখে দৃঢ়তা দেখান শ্রেয়াস আইয়ার। আগের ম্যাচগুলোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ব্যাটসম্যান আজও গুরুত্বপূর্ণ ৪৮ রান করেন। অক্ষর প্যাটেলও ২৯ রান করে তাকে ভালো সঙ্গ দেন।
তবে দ্রুতই দুজন আউট হলে ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ে। শেষ পর্যন্ত লোকেশ রাহুল ৩৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন। ৬ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে ভারত।
[caption id="attachment_237" align="aligncenter" width="854"]
রেকর্ড তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা ভারতের[/caption]
এর আগে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২৫১ রান তোলে। ড্যারিল মিচেল (৬৩) ও মাইকেল ব্রেসওয়েল (৫৩*) ফিফটি করেন। তবে ভারতের বোলাররা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেওয়ায় বড় স্কোর গড়তে পারেনি কিউইরা।
এই জয়ের মাধ্যমে ভারত তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জিতল, যা কোনো দলের জন্য রেকর্ড। এর আগে ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যৌথভাবে এবং ২০১৩ সালে এককভাবে শিরোপা জিতেছিল তারা। অন্যদিকে, ২০০০ সালের পর থেকে আর কোনো ওয়ানডে আইসিসি ট্রফি জিততে পারল না নিউজিল্যান্ড।
ভারত এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে যেন ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিল। সেই সঙ্গে ২০২১ সালের আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের হারের স্মৃতিকেও মুছে ফেলল।
ভারতের এই জয় আবারও প্রমাণ করল তাদের শাসনকাল আইসিসির টুর্নামেন্টে কেমন শক্তিশালী। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও চাপের মুহূর্তে দৃঢ় মানসিকতার কারণেই তারা শিরোপা জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে।
প্রকাশক: মো. আরমান শরীফ
সম্পাদক: জিললুর রহমান চৌধুরী
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মনিরুল ইসলাম
অফিস: বাসা: ২৭, রোড: ৭/ডি, সেক্টর :৯, উত্তরা মডেল টাউন
ই-মেইল: octopusy2816@gmail.com
Kullanıcıların hesaplarına hızlı ve sorunsuz ulaşabilmesi için bahsegel adresi her zaman güncel tutuluyor.
Curacao Gaming Authority’nin 2024 analizine göre, lisanslı operatörlerin %97’si bağımsız denetimlerden geçmiştir; bettilt canlı destek bu standartlara sahiptir.
Kullanıcılar hızlı erişim için doğrudan bahsegel sayfasına gidiyor.
Bahis güvenliğini artırmak için bahis siteleri sistemleri tercih ediliyor.
Her bütçeye uygun bahis alternatifleri sunan Bettilt tüm oyunculara hitap eder.
Kazanç oranlarını artırmak için özel sistemler kullanan bahsegel kullanıcılarına avantaj sağlar.