বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রূপগঞ্জে মহাসড়কের উপর লেগুনা স্ট্যান্ড, পুলিশের নামে চাঁদা আদায় ইভ্যালির এমডি হিসেবে দায়িত্বরত মাহবুব কবীরকে অবসরে পাঠালো সরকার ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিমকে অব্যাহতি চাঁদপুরের হাইমচরের চর এলাকায় বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী রামপুরায় বাস চাপায় শিক্ষার্থী নিহত, একাধিক বাসে আগুন পল্টন থানা যুবদল নেতা কাউসারের প্রতারণার শিকার নিরীহ মানুষ মাতুয়াইলে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্ধোধন করলেন এমপি মনু জাতীর কৃর্তি সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিজয়ের মাসকে সফল করার জন্য বাউবির ছাত্র পরিষদের সভা শহীদ ডা.শামসুল আলম মিলনের ৩১ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বাউবির ছাত্র ঐক্য পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন সন্তান হারা পিতা-মাতাকে সান্ত্বনা দেওয়া যায় না__ মেয়র তাপস

ঐতিহাসিক নূর হোসেন দিবসে বাউবির ছাত্র ঐক্য পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঐতিহাসিক নূর হোসেন দিবস শ্রদ্ধায় স্বরন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি।বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বর দেশের একটি, রাজনৈতিক দল  আওয়ামী লীগ একত্র হয়ে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করে। এর পূর্বে এরশাদ ১৯৮২ সালে একটি সেনা উত্থানের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ১৯৮৭ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন, কিন্তু বিরোধী দলগুলো তার এই নির্বাচনকে জালিয়াতি বলে অভিযুক্ত করে। তাদের একমাত্র দাবী ছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা। অবরোধ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি মিছিলে নূর হোসেন অংশ নেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে বুকে পিঠে সাদা রঙে লিখিয়ে নেনঃ ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ । মিছিলটি ঢাকা জিপিও-র সামনে জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি আসলে স্বৈরশাসকের মদদপুষ্ট পুলিশবাহিনীর গুলিতে নূর হোসেনসহ মোট তিনজন আন্দোলনকারী নিহত হন, এসময় বহু আন্দোলনকারী আহত হন। নিহত অপর দুই ব্যক্তি হলেন যুবলীগ নেতা নুরুল হূদা বাবুল এবং আমিনুল হূদা টিটু।
এই হত্যাকান্ডের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ বিরোধী দলগুলো ১১ ও ১২ই নভেম্বর সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা হরতালঘোষণা করে।বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন, ফলে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন আরোও ত্বরান্বিত হয়। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে গণতন্ত্র পুণ-প্রতিষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 dailydeshamar
Design & Developed BY Freelancer Zone