রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ডেমরায় যুবলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত শুভর কান্না থামাতে পেরে খুশি টিআই বিপ্লব ভৌমিক ডেমরার ৬৬ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রথমিক সদস্য সংগ্রহ ও ফরম বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে হেনকাপ নিয়ে পালিয়েছে মাদক ব্যবসায়ী ডেমরায় ৬৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত    শেখ রেহানার জন্মদিনে দক্ষিণ যুবলীগের দোয়া ও খাবার বিতরণ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা ও জমি দখলের প্রতিবাদে বাউবির ছাত্র ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন  যাত্রাবাড়ীর মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজে উৎসব মুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের বরণ ত্রিশালে বিএনপি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ডেমরায় বাংলাদেশ যাত্রা শিল্প উন্নয়ন পরিষদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

কুরবানির বর্জ্য পরিষ্কারে করণীয়

মুক্ত কলাম–

মোঃমোয়াশেল ভুইয়াঃ

 

কুরবানির বর্জ্য পরিষ্কারে করণীয়
কুরবানীর পশু জবাই করার পর তার বর্জ্য পরিস্কারে আমাদের অনেকেই মনোযোগী নয়। অনেকে বর্জ্য গুলো নদীতে ফেলে দেন বা খোলা মাঠে রেখে আসেন কিন্তু এবার সবার সচেতনতা কামনা করছি।তা না হলে পরিবেশের কি পরিমাণ ক্ষতি হবে তা কল্পনাতীত।মনে রাখতে হবে আপনার পরিবেশ আপনাকেই নির্মল রাখতে হবে।আপনার অবহেলায় আপনি, আপনার পরিবারে বা সমাজের যে কেউ ক্ষতির শিকার হতে পাবে।পশু জবাইয়ের পর বর্জ্য যদি খোলা জায়গায় পড়ে থাকে বা নদী- নালায় ফেলে দেওয়া হয় তবে তা পরিবেশের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর কারণ হবে আর পরিবেশের ক্ষতির কারণ হওয়া মানি হলো পুরো সমাজের মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হওয়া।বর্জ্যের যথাযত ব্যবস্হা না নিলে ঐখান থেকে নানা ধরনের ক্ষতিকর কিট কিংবা মশা,ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাসের জন্ম লাভ করতে পারে,যার ক্ষতির শিকার হবে নিজ পরিবার কিংবা সমাজের মানুষ,তাই সবাইকে বর্জ্য পরিস্কারে সচেতন থাকতে হবে।উন্নত দেশ গুলোতে পশু জবাই আমাদের মতো না।তারা সবাই একটি নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে পশু জবাই করে আর আমরা যার মন যেখানে চাই সেখানে করি তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে পরিবেশ রক্ষায়,নিজেদের রক্ষায়।

কোরবানির পশু জবাইয়ের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করা।এবং নিয়ম মেনে কোরবানী করা।মনে রাখতে হবে জবাইকৃত পশুর রক্ত, ঘাস, লতাপাতা, নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট, বর্জ্য রাস্তায় পড়ে থাকলে তা বাতাসের সাথে জড়িয়ে পড়ে কিংবা নদীর পানিতে ছড়িয়ে পড়ে।

তাই কোরবানি করার পরবর্তী সময়ে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে।

কোরবানির পরে অবশ্যই করণীয় বিষয়গুলো হলো:

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা :
পশু জবেহ করার পর তার রক্ত ও শরীরের যাবতীয় উচ্ছিষ্ট যথাযথভাবে অপসারণ করা একান্ত জরুরী। পশু জবাইয়ের জায়গায় একটি গর্ত করে তার রক্ত,নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট সহ যাবতীয় বর্জ্য ঠিক জবাইকৃত জায়গায় ভালো ভাবে গর্ত করে মাটি দিয়ে ঢেকে দিন।তবে গর্তের মধ্যে কিছু ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক পদার্থ দিতে যেন মনে থাকে।গর্তে সব বর্জ্য পুতে ফেলার পরও কিছু জীবাণুনাশ পদার্থ জবাইকৃত জায়গায় ছিটিয়ে দিন।
দ্বিতীয়ত,
পশু জবায়কৃত জায়গাটিতে সম্ভব হলে গরম পানির সাথে
ব্লিচিং পাউডার কিংবা জীবাণুনাশক পাউডার মিশিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন অথবা ঠান্ডা পানি হলেও চলবে। তাহলে দূর্গন্ধ ছড়াবে না এবং জীবনুমুক্ত হবে।পানি যেন নদী নালায় পড়ে না যায়।

তৃতীয়ত,
বর্জ্য পরিষ্কারের পরে আপনার হাত, পা ও সারা শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধর্মীয় সম্প্রতি রক্ষা করা।সেটি হলে ধরুন হিন্দু সম্প্রাদয়ের অনেকই গরু জবাই মেনে নিতে পারেন না,ধর্মীয় কারণে। আপনার দীর্ঘদিনের বন্ধু বা প্রতিবেশি যাদের সাথে আপনার দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক তার ঠিক বাড়ির সামনে যদি আপনি গরু জবাই করেন তার স্বভাবতই খারাপ লাগতে পারে তাই একটু তার আড়ালে জবাই করলে ব্যক্তিগত ভাবে আপনার সম্পর্কের জন্য ভালো ,সম্প্রীতির জন্য ভালো।কারণ অনেক ইতিহাস রয়েছে গরু জবাইকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলিমের দ্বন্দ্ব-সংঘাতে।তাই হিন্দু প্রতিবেশী বা বন্ধুর ঠিক সামনে যেন না হয়,তাহলে সে বিব্রতবোধ করতে পারে।কারণ আমাদের মনে রাখতে হবে ইসলাম সম্প্রীতির ধর্ম।আল্লাহ আমাদের সকলের কোরবানীকে কবুল করুক।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 dailydeshamar
Design & Developed BY Freelancer Zone