বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
আমরা নতুনরা যুবলীগকে সৌন্দর্য,সৌহাদ্য ও সমৃদ্ব করে তুলবো __ব্যারিষ্টার তৌফিকুর রহমান পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের ত্রি বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনে রবিউল ইসলাম পাতা সভাপতি ও রতন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হাইমচরে গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারঃ পারুলের ময়নাতদন্তে রিপোর্ট আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যা চাদঁপুরের হাইমচরে নবীন সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের স্ত্রী গুলশান আরা সেলিম আর নেই। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ২২ জুয়াড়ী আটক কদমতলীতে ধর্ষন মামলার আসামী নাছির গ্রেফতার ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ উদযাপনে হাইমচরে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন জামাত বি এন পি কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালিত হাইমচরে আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নে ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত

রাজধানীর ডেমরায় ব্যাটারীচালিত অটো রিকশা থেকে সিটি কর্পোরেশনের নামে চাঁদা আদায়

রাজধানীর মাতুয়াইলে ব্যাটারীচালিত অটো রিকসা ইজি বাইক থেকে দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের পার্কিংয়ের নামে চাঁদা আদায়

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর মাতুয়াইলে ব্যাটারীচালিত অটো রিকসা ইজি বাইক থেকে কৌশল পরিবর্তন করে নতুন ভাবে চাঁদা আদায় করছে অপরাধীরা।ব্যাটারীচালিত অটো রিকসা ইজি বাইক থেকে দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের রশিদ এনে পার্কিংয়ের নামে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।পরিবেশ দূষণ ও বিদ্যুতের অপচয় রোধে ব্যাটারিযুক্ত রিকশা সড়কে চলাচলে অনুমোদন নেই সরকারের পক্ষ থেকে। ফলে ব্যাটারিচালিত এসব অটোরিকশা কার্যত অবৈধ। তবুও থেমে নেই এমন অটোরিকশার ব্যবহার। রাজধানীর মাতুয়াইলে সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা বেড়েই চলেছে।অটোরিকশার চালক ও মালিকরা বলছেন, বিধি অনুযায়ী অবৈধ হলেও রাস্তায় চলতে তাদের কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ একদিনে যেমন এলাকার নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে চলেন, তেমনি সড়কে তাদের বিরুদ্ধে যাদের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেই পুলিশ তাদের কাছে ‘ম্যানেজড’।ঢাকায় অটো রিকসা ইজি বাইক সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। এর মধ্যে ১০ লাখ রিকশা বাকি ২ লাখ ইজিবাইক।এর মধ্যে রাজধানীর ডেমরা,যাত্রাবারি থানাধীন মাতুয়াইলে রয়েছে কয়েক সহস্রাধিক ব্যাটারীচালিত অটো রিকসা ইজি বাইক ।রিকশাচালকরা বলেন, আমরা যতটুকু জানি এ টাকা পুলিশের কাছে যায়। তবে সরাসরি পুলিশ এ টাকা তোলে না। আমরা জমা দেই লাইনম্যান বুলবুলের কাছে।লাইন ম্যান রশিদ ছাড়া ৫০ টাকা হারে প্রতিদিন নেয়, তাদের নেতা তাজিন।তারা ট্রাফিক পুলিশ কে টাকা তুলে দেয়।কিন্তু টাকা না দিলে পুলিশ রিকশা রেকার করে। ২০১৭ সালে আইন করে মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ করে সরকার।মাতুয়াইল এলাকায় দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের নামে রশিদ দিয়ে অটো রিকসা ইজিবাইকের টাকা তোলেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা মিলন,তার সাথে এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেোন এসব মাসুদ সাহেব নামে একজন ইজারা নিয়েছেন তার পক্ষেই টাকা তুলছে আদায়কারীরা।মাসুদ সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে কথা বলতে চাইলে তিনি ব্যাটারীচালিত অটো রিকসা ইজি বাইক নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের রশিদে টাকা আদায়ের বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন,ও কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

আইন করার পর হাইকোর্টের এক আদেশে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পুলিশকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলেন কিন্তু কোনো নিষেধাজ্ঞাই কার্যকর হয়নি। সিন্ডিকেটের কারণে বরাবরই ভেস্তে গেছে সরকারী উদ্যোগ।ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস নির্বাচিত হওয়ার পর অবৈধ এসব অটো রিকসা ইজি বাইক চলাচল বন্ধের ঘোষনা দিয়েছিলেন।সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হলেও খোদ সিটি কর্পোরেশনের চাঁদার রশিদে সিটি টোলের নামে অর্থ আদায়ের কারনে রাজধানীর মাতুয়াইলে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারীরা যদি অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়, তবে প্রতিবাদকারীদের নিরব দর্শক হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কারণ অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারীরাই তখন অপরাধী বনে যান। অটোরিকশার ক্ষেত্রে ঘটছে সেটিই। সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষ নির্দেশনা না এলে এই ‘মিউচুয়াল ক্রাইম’ বন্ধ হওয়ার কোনো আশা নেই এমনটিই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।একদিকে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস এর অবৈধ অটো রিকসা ইজি বাইক বন্ধের ঘোষনা অন্যদিকে পার্কিংয়ের নামে ঢাকা দক্ষিন ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের কারনে অনেকেই ধরেই নিয়েছেন হয়তো এসব বৈধ করে নেবে সরকার।আবার এসব খাত থেকে চাঁদা আদায়ের ফলে এই বিপুল অঙ্কের অর্থের উৎস সহজে বন্ধ করতে রাজি নন কেউ।আগে এসব খাতে সরাসরি টাকা তুলত স্থানীয় রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রভাবশালীরা,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় কৌশল পাল্টে তা ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের রশিদ দিয়ে চাঁদা তোলা হচ্ছে।মাতুয়াইলে সহস্রাধিক ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার ব্যাটারির চার্জ দেয়ার জন্য এলাকাতেই আছে কয়েকটি গ্যারেজ। যেগুলোতে অবৈধ বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া আছে বিদ্যুত বিভাগের স্থানীয় প্রকৌশলীকে ম্যানেজ করে। ভুক্তভোগিরা ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের জন্য এসব নিষিদ্ধ যানকে দায়ি করে জানান, এগুলোর বেশিরভাগই অবৈধ সংযোগ থেকে চার্জ দেয়া হয়।এ বিষয়ে ডিপিডিসি ডেমরা বিভাগের অফিস প্রধান রফিকুল ইসলাম ভুইয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এসব অনিয়মের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান । এবং অবৈধ গ্যারেজ গুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়ে (হাইকোর্টের এক আদেশে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ করার পরও) কেনো বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হলো এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন এ বিষয়ে বিদ্যুতের উর্ধতন কতৃপক্ষ তা ভালো বলতে পারবেন বলে জবাব দেন তিনি।
নিষিদ্ধ এসব রিকশা ও ইজিবাইক টোকেন সিস্টেমে রাস্তায় চলাচল করে। প্রতিটি রিকশা বা ইজিবাইকের জন্য মাসে ১২শ’ টাকা করে টোকেন সংগ্রহ করতে হয় চালকদের। প্রভাবশালীরা এই টোকেন বাণিজ্য করছে। তারাই টাকার বিনিময়ে পুলিশকে ম্যানেজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 dailydeshamar
Design & Developed BY Freelancer Zone